🇧🇩ধামরাইয়ে রাইস মিলের বর্জ্য ও ধানসিদ্ধর ছাইয়ে চলছে বংশী নদী ভরাট।🇧🇩

0
0

✍️মোঃআদনান হোসেন ধামরাই ঢাকা থেকেঃ ধামরাই উপজেলার কেলিয়া এলাকায় রাইস মিলের বর্জ্য ও ছাই ফেলা হচ্ছে বংশী নদীতে। এতে ভরাট হচ্ছে নদী, দূষিত হচ্ছে পানি, জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়ছে। ২০০০ সালে প্রণীত ‘প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী নদী, খাল,বিল, দিঘি, ঝরনা বা জলাশয়,বন্যাপ্রবাহ এলাকা এবং বৃষ্টির পানি ধারণ করে, এমন কোনো ভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। অর্থাৎ সেগুলো ভরাট করা যাবে না। আইন অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ঢাকার ধামরাই উপজেলার কেলিয়া এলাকায় বংশী নদী দখল করে ধান সিদ্ধর ছাই দিয়ে ভরাটের মহাউৎসবে মেতে উঠেছে অটোরাইচ মিলের মালিকরা। সেখানে তাদের প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত রাইচ মিলের ধান সিদ্ধর ছাই দিয়ে নদী ভরাট করে পরিবেশ দূষণ করে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা। এছাড়া নদীর পার দখল করে স্থাপনা তৈরির অভিযোগও রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রতিনিয়ত ধান সিদ্ধও ছাই দিয়ে বংশী নদীর একাংশ ভরাট করে ফেলছে স্থানীয় অটো রাইস মিলের মালিকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া এলাকায় কে এন্ড কে অটোরাইস মিল, কাদের অটোরাইস মিল, সৈদিয়া অটোরাইস মিল, সুষমা অটো রাইস মিল, কিষাণ অটো রাইস মিলসহ আশপাশের অটোরাইস মিল মালিকরা নদী ভরাট করে পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়া রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারে না ।একটু বাতাস ছাড়লে ছাই উড়ে এসে চোখ মুখ ভরে যায়, শুধু কি তাই, ধান সিদ্ধর ছাই নদীর পানিতে ভেসে যাওয়ার কারণে নদীর পানি দিয়ে কোনো ধরনের কাজ করতে পারছে না স্থানীয় রা।এছাড়া নদীর পানিসহ ধানসিদ্ধর ছাইয়ের কারণে পরিবেশের দূষণ হচ্ছে। আশেপাশের বাড়িঘর, গাছপালা, ফসলের ক্ষেত, ধান সিদ্ধর ছাইয়ের কালো কালিতে ছেয়ে গেছে।

এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান সাধারণ কৃষক। প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে নদী ভরাট করে ফেলছে, পরিবেশ এখন হুমকির মুখে।

এই ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকীর বলেন,এব্যাপারে আমার কাছে কেউ কোনো লিখিতঅভিযোগ দেননি দিলে আইনুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে