🇮🇳“বুলেট ট্রেন চড়ার অভিজ্ঞতা“🇮🇳

0
39
 ✍️ প্রদীপ কুমার লাহিড়ী ✍️
  🇮🇳 নবিমুম্বাই 🇮🇳

সে এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা ১৯৯৯ সালে সবে গোলোর স্বর যা ৮ বছর আগে ক্যান্সার রোগে সারাজীবনের জন্যে হারিয়েফেলেছিলাম সেটা ফিরে পেয়েছি খাদ্যনালী ব্যবহার করে l

জাপান সরকারের বদান্যতায় একটা সুযোগ পেলাম আধুনিক শিক্ষার সুযোগ যা দিয়ে শুধু নিজের স্বরএর স্বাভিকতা ফিরে আসবেনা আমাদের দেশের অগণিত লোকেরা এই রোজে মুক হয়ে নিঃসঙ্গতার সাথে জীবন ধারণ করছে তারাও আমার মাধ্যমে কেউ কেউ এই সুবিধা পাবে l

সমস্ত খরচ জাপানসরকারের তিন মাসের ট্রেনিং তার মধ্যে ৪ -৫ taএডুকেশন টুর জাপানের বিভিন্ন জায়গায় এরই মধ্যে পরে ওসাকা ট্রেনিং সেন্টারে শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পরিচিতি হওয়া টোকিও থেকে প্রায় ছ সত্য কিলোমিটার দূরে l

আমাদের নিয়ে যাওয়া হবে বুলেট ট্রেনে যা কিনা পৃথিবীতে জাপানিতেই আছে সিনকসান সংস্থার মাধ্যমে টোকিও থেকে

ওসাকা l তাই সেপ্টেম্বর শেষে এক শনিবার আমাদের ট্রেনিং সেন্টার আকিয়াবারা থেকে দুজন জাপানী ট্রেনারের সাথে মি: ওকাবা আর একজন সাকিনাকার সাথে বেরিয়ে পড়লাম l

এর আগে শুধু বুলেট ট্রেনের নামই শুনেছি কিরকম দেখতে জানতাম না সকাল ৯ ta te টোকিও স্টেশনে পৌঁছে দূর থেকে দেখতে পেলাম এক বিশাল উড়োজাহাজ দাঁড়িয়ে আছে, কাছে গিয়েই দেখলাম ওটাই নাকি বুলেট ট্রেন l

অবিকল প্লেনের মতো, একটা বিশেষ প্লাটফর্মে, বিশেষ ভাবে তৈরি করা রেল লাইনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে l ঢোকবার একটা দরজা বেরোবার একটা দরজা l ট্রেনে চাপবার আগেই চোখ দুটো ছানাবড়া হয়ে গেলো, যাই হোক সম্মোহিতের মতো বোকা বোকা মুখ করে ভেতরে ঢুকে অবাক বিস্ময় এ দিশাহারা হয়ে গেলাম l এটা কি ট্রেন না স্বপ্নপুরী খালি বসার ব্যবস্থা যেন প্রত্যেক সিট্ একটা রাজ্ সিংহাসন, যেন মহামতি আকবর এসে বসবেন বলে কুর্নিশ জানাচ্ছে l শুনলাম ২৫০ থেকে ৩০০ কি:মি: বেগে প্রতিঘন্টায় ছুটবে আর ২.৫ ঘন্টার মধ্যে ওসাকা পৌঁছে দেবে l ট্রেনের ভেতর বিলাসিতার কিছু কমতি নেই, হালকাসুরে কাম সেপ্টেম্বরের এর বাজনা বাজছে বড় বড় কাঁচের জানলা দামী পর্দা দিয়েই ঢাকা l

স্বপ্নের সিটে বসার পর কিছুক্ষন বাদে কানে এলো ট্রেন ছাড়বে , আর কখন জানি ছেড়ে দিয়েছে বুঝতেই পারলামনা, ভেতরে হোস্টেসরা জাপানি ডল পুতুলের মতো খাদ্য পানীয়ও নিয়ে ঘুরছে, দামের বালাই নাই যথেচ্ছ খাও , পিও আর মৌজ করো জানলার পর্দা সরিয়ে বুjhতেই পেলামনাট্রেন চলছে কিনা একদম ফ্লাইটের মতো বসে বোঝাই যায় না আকাশে উড়ছে l

এক সময় মানে প্রায় ২ঘন্টা ৪৫ মিনিটে ওসাকা পৌঁছে গেলাম, এক স্বর্গীয় সুখ অনুভবকরে l

ফেরার সময় অবশ্য আমাদের ফ্লাইটে ফিরতে হয়েছিল, তবে এই বিচিত্র সুন্দর অভিজ্ঞতার স্বাদ আর কোনোদিন পাইনি না আমাদের দেশে না ইউৰোপ বা আমেরিকায় l