🇮🇳বৃষ্টি বিঘ্নিত দার্জিলিংয়ের হোটেলে🇮🇳

0
5


তারিখ– ৭ ভাদ্র ১৪২৯!!

চারিদিকে যেন খুনের রক্ত ঝরে পড়ছে মনে পড়ে
কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করে সেই সুদূরে
ভায়ের জন্যে, দেশের জন্যে, কাঁদছে বুক ভেতর হতে
না হ’লেও শ্মশান, ডাকহরকরা মেঘের কান্নায় বৃষ্টি পাতে
বুকে শোকের পাষাণ চাপা, রোদন ভুলবে কি অবহেলে!

হোটেলের ব্যলকনি থেকে নিচে তাকালে যেন ছেঁড়া ছেঁড়া
অসংখ্য
রঙীন কাগজের টুকরো চোখে পড়ে, করে ব্যাকুল
এমন সুন্দর চেহারায় কে করেছে নোংরা, ভুল!
তারই মাঝে বিলিতি মদের ফোয়ারায় অপরিসীম
আমি আছি একটা ঘরে , অন্য ঘরে জামাই – মেয়ে
আশার পিদিম।

চোখে তৃষ্ণা, বুকের ভেতর হাজারো রাগের লাশ
অন্ধ আমি, জামাইয়ের ভর্ৎসনা হলাম রক্তপলাশ–
” এটাই জীবন, বিশ্বজুড়ে চলছে এরকমই খেলা
আমরা ভালো আছি, অযথা চিন্তার মেলা
ফেলে চলুন– দার্জিলিংয়ের ঘরে ঘরে
রঙীন শ্যাপলা ফেলে বৃষ্টির মাঝে বর্ণমালায় অধিকারী
হয়ে চাক্ষুষ করি, করে দেখাই বাহাদুরি!
তারপর দেশে ফিরে শস্য শ্যামলা ক্ষেতে
রাস্তাঘাটে খানা ডোবায় নদী মাঠে
এই খোলাম কুচির মতো খেদ সারি সারি,
আপনি তুলবেন প্রতি ধ্বনি, না ভুলতে পারি”।

চলে গেছে সেসব দিন, জীবনের সুড়ঙ্গ পথে
আমি আছি আমার মতো সঙ্গী সাথে
আনন্দের লহর, শরীরের অসংখ্য ঝামেলা
তুলোর মতো এদিক সেদিক উড়ছে মেলা
তারই মাঝে ঘণঘাসের শিশির প’রে নিত্য করছি খেলা।।

একা নয়, সবার সাথে দিন দুপুরে ভর সন্ধেবেলা।
শুনেছি–” যাকে তুমি ভালোবাসো বিয়ে কোরোনা
যে তোমাকে ভালোবাসে তাকে করো বিয়ে।। “”